
কুমিল্লা জেলার ১৮টি থানায় একযোগে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। গতকাল সন্ধ্যা ৭টা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত পরিচালিত এই বিশেষ অভিযানে মোট ৫১৯ জনকে আটক করা হয়। কুমিল্লা নগরীসহ জেলার প্রতিটি থানা এলাকায় কিশোর বয়সী বখাটেদের উৎপাত দমনে এই অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযানে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সরাসরি অংশ নেন। তিনি আরও বলেন, অভিযানে আটক ৫১৯ জনের অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান জানিয়েছেন, পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের নির্দেশে কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) সমন্বিতভাবে কাজ করছে। আটককৃতদের অপরাধের সংশ্লিষ্টতা যাচাই-বাছাই করে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। মূলত উঠতি বয়সী কিশোররা যাতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়ে, সেজন্যই জেলা পুলিশ নিয়মিতভাবে এমন অভিযান পরিচালনা করে আসছে। গত ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই চলমান কার্যক্রমের অংশ হিসেবেই সর্বশেষ এই অভিযানটি পরিচালিত হলো। এদিকে অপ্রতিম হত্যার পরপরই জেলায় কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য আলোচনায় উঠে আসে।
জেলা পুলিশের মিডিয়া সেলের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত পাঁচ ধাপের অভিযানে মোট ২ হাজার ৩৫ জনকে আটক করা হয়েছে। এদের মধ্যে ১ হাজার ৪০৯ জনকে মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকদের জিম্মায় মুক্তি দেওয়া হয়েছে, যাদের একটি বড় অংশই শিক্ষার্থী। এছাড়া অপরাধে সরাসরি সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় বাকি ৬২৬ জনকে আদালতের মাধ্যমে আইনি শাস্তির আওতায় আনা হয়েছে।
কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য রোধ, এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান। বিভিন্ন ইউনিট কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে প্রতিনিয়ত তৎপর রয়েছে।
প্রতিনিধির নাম 

























