
নারীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাতায়াত নিশ্চিত করতে বগুড়ায় বিআরটিসির উদ্যোগে চালু হয়েছে নারীদের জন্য বিশেষ বাস সার্ভিস। এ বাসের চালক, হেলপার ও সুপারভাইজার সবাই নারী এবং যাত্রীরাও হবেন নারী। কর্মজীবী নারী, শিক্ষার্থীসহ সাধারণ নারী যাত্রীদের জন্য নিঃসন্দেহে এটি একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ।
তবে নতুন এই সেবাকে ঘিরে নিরাপত্তার আরেকটি বিষয়েও এখন থেকেই সতর্ক থাকা জরুরি। বগুড়া শহরে পকেটমার চক্রের তৎপরতার কথা কমবেশি সবারই জানা। এই চক্রের সঙ্গে বেশ কিছু নারীও জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
নারীদের জন্য আলাদা বাস সার্ভিস চালু হওয়ায় পকেটমার চক্র যেন এটিকে নতুন সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করতে না পারে, সেদিকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজর দেওয়া প্রয়োজন। যাত্রী সেজে বাসে উঠে পাশে থাকা নারীর ব্যাগ, মোবাইল ফোন, টাকা কিংবা মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি করে সুযোগ বুঝে নেমে যাওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
এ ক্ষেত্রে পুলিশের কাছে থাকা চিহ্নিত পকেটমারদের ছবি কাজে লাগানো যেতে পারে। বাসস্ট্যান্ড, টিকিট কাউন্টার কিংবা বাসের ভেতরে সতর্কতামূলকভাবে চিহ্নিত পকেটমারদের ছবি প্রদর্শন করা হলে যাত্রী ও বাসের কর্মীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়বে। পাশাপাশি অপরাধীদের মধ্যেও এক ধরনের ভীতি তৈরি হতে পারে।
বিআরটিসি, পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত নজরদারি নিশ্চিত করা গেলে নারীদের জন্য চালু হওয়া এই বিশেষ বাস সার্ভিস আরও নিরাপদ ও সফল হবে। নারী যাত্রীদের স্বস্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই এই প্রশংসনীয় উদ্যোগকে এগিয়ে নেওয়া এখন সময়ের দাবি।